1,337 Views

আমেরিকার প্রধান রোগ গবেষণা স্বাস্থ্য সংস্থা Center For Disease Control and Prevention (CDC) এর পক্ষ থেকে সরকারি ভাবে প্রকাশিত হলো COVID19 মহামারীর আরো ৬ নতুন লক্ষণ। যেগুলো আগের WHO – র দেওয়া ৩ টি লক্ষণের সাথে সংযোজিত হলো।

COVID19 এর নতুন ৬ টি লক্ষন – 6 New Symptoms of Corona

COVID19 এর নতুন ৬ টি লক্ষন, 6 New Symptoms of Corona
9 Syndroms of COVID19

CDC – র দেওয়া নতুন ৬ টি COVID 19 এর নতুন লক্ষণ গুলো হলো –

  1.  ঠাণ্ডা লাগা (Chills)
  2.  বার বার কাপুনির সাথে ঠান্ডা লাগা (Repeated Shaking with Chills)
  3.  মাংস পেশীতে ব্যাথা (Muscle Pain)
  4.  মাথায় যন্ত্রণা (Headache)
  5.  গলা খুস খুস বা গলায় যন্ত্রণা বা ব্যাথা বা কালসিটে পরা (Sore Throat)
  6.  গন্ধ বা স্বাদের পরিবর্তন বা একেবারেই না পাওয়া (New Loss of Test or Smell)

এতদিন পর্যন্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) র দেওয়া তিনটি উপসর্গ গুলি ছিল –

  1.  জ্বর (Fever)
  2.  কাশি (Cough)
  3.  শ্বাস কষ্ট ( Difficult of Breathing OR Shortness of Breathing)
Read also : 100+ Periodic Table Questions

অর্থাৎ বলা যেতে পারে এখন থেকে COVID 19 এর মোট ৯ টি লক্ষণ । অবশ্য সি. ডি. সি. এর দাবি এর থেকেও অনেক বেশি লক্ষণ থাকতে পারে যেটা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি (আপনারা গিয়ে ওই সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এ গিয়ে এই বিষয়ে সমস্ত তথ্য পড়তে পারেন। নিচে লিংক দেওয়া আছে) ।

কোনো কোনো ক্ষেত্রে এই রোগ নিয়ে WHO এর সাথে CDS এর দ্বীমত রয়েছে। যেমন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া কিছু আংশিক লক্ষণ যেমন “নাক দিয়ে ক্রমাগত জল বা সর্দি নামা”, হাঁচি” এগুলোকে করোনা রোগের উপসর্গ বলতে নারাজ।

এবার প্রশ্ন হলো CDC কি বা কারা , কেনো আমরা এদের প্রকাশিত লক্ষণ গুলোর উপর গুরুত্ব দেবো !

CDC অর্থাৎ Center For Disease Control and Prevention হলো আমেরিকার প্রধান এবং সব থেকে বড় রোগ গবেষণা কেন্দ্র , যেটা বর্তমানে এই করোনা রোগের উপর গবেষণা চালাচ্ছে। আমেরিকা সরকার বরাবরই এই সংস্থার উপর সবথেকে বেশি ভরসা করে । এমনকি এই করোনা ভাইরাস এর ক্ষেত্রে ২৮ সে এপ্রিল ২০২০ সকাল ১১.৫০ এর রিপোর্ট অনুযায়ী ১,০১০,৫০৭ করোনা রোগীর (সুস্থ : ১৩৯,১৬২, মৃত্যু: ৫৬,৮০৩ জন) আমেরিকান সরকার WHO এর থেকে CDC র প্রতি বেশি নির্ভরশীল।

CDC প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১ লা জুলাই ১৯৪৬ সালে অর্থাৎ আজ থেকে প্রায় ৭৩ বছর আগে। বার্ষিক ১১.৯ বিলিয়ন আমেরিকান ডলার আর্থিক বাজেটের (২০১৮) এই সংস্থা ১০,৮৯৯ জন কর্মচারী (২০১৫ অনুযায়ী) নিয়ে সারা বছর রোগ জীবাণু নিয়ে গবেষণা চালায়।

প্রয়োজনীয় লিংক
Official Website of CDC
Wikipedia Page of CDC

বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই “আমেরিকান স্বাস্থ্য সংস্থার” গবেষণা পদ্ধতি, উন্নতমানের সরঞ্জাম, বিজ্ঞানী, গুণগত মান কোনো কিছুতেই “বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার” থেকে কম নয়, এমন অনেক অংশেই বেশি বলে দাবি করা হয় অন্তত “কভিড ১৯” এর ক্ষেত্রে।

বিশেষজ্ঞদের দাবি, আমেরিকার এই স্বাস্থ্য সংস্থা এত বিপুল সংখ্যক রোগীদের নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছে সেই কারণে এদের কাছে এই রোগ সংক্রান্ত অনেক বেশি তথ্য থাকায় “কোভিড ১৯” এর ক্ষেত্রে এরা অন্যদের থেকে অনেক বেশি পারদর্শী এবং এগিয়ে।

অবশ্য এখন WHO অথবা ভারত সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রক এখন সরকারি ভাবে এই নতুন লক্ষ গুলো ঘোষণা করেনি। তবে আশা করা হচ্ছে যে, খুব শিগগিরই সারা বিশ্বের সাথে আমাদের দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রক সরকারি ভাবেই এই লক্ষণ গুলো ঘোষণা করবে।

কিন্তু সচেতনতার জন্যে আমাদের আগে থেকেই এই বিষয়ে লক্ষ্য রাখা উচিত বলে বিশেষজ্ঞ দের মত।

Leave a Reply